ডায়াবেটিস রোগীরা রোজা রাখতে চাইলে অবশ্যই আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ সবার শারীরিক অবস্থা একই নয়, এবং কিছু রোগীর জন্য রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা ও সতর্কতা মেনে চললে অনেকেই নিরাপদে রোজা রাখতে পারেন।
রোজার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা। ইফতার, সেহরি এবং দিনের মাঝেও প্রয়োজন অনুযায়ী গ্লুকোজ চেক করতে হবে। যদি শর্করা খুব বেশি বা খুব কম হয়ে যায়, তবে রোজা ভেঙে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। সেহরিতে ধীরে হজম হয় এমন খাবার যেমন লাল চাল, ওটস, ডাল, সবজি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ভালো। ইফতারে অতিরিক্ত মিষ্টি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলা উচিত।
পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তবে একসঙ্গে বেশি না খেয়ে ধীরে ধীরে পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি হালকা হাঁটা বা স্বল্প ব্যায়াম শরীরকে সক্রিয় রাখে, তবে অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের শরীরের লক্ষণ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া। দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা ঘাম বেশি হলে অবহেলা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সঠিক সচেতনতা রোজাকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।