হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করলেও বড়দেরও হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সময়মতো চিকিৎসা ও সঠিক যত্ন না নিলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই হাম রোগের লক্ষণ সম্পর্কে জানা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীর দুর্বল লাগা। কয়েকদিন পর মুখ ও শরীরে ছোট ছোট লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় রোগীর ক্ষুধামন্দা ও গলা ব্যথাও হতে পারে।
হাম হলে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখতে হবে এবং বেশি করে পানি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করা উচিত। চোখে সমস্যা হলে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে রাখতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে কিছুটা আলাদা রাখলে সংক্রমণ কমে।
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা গ্রহণ। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম ও এমআর টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা এবং দ্রুত চিকিৎসাই হাম থেকে সুরক্ষিত থাকার মূল উপায়।